মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

নন্দীগ্রাম একটি নাম, একটি অতীত চিত্রের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি ও সর্বোপরি ইহা এক মহাকালজয়ী ঐতিহাসিক প্রাচীন অধ্যায়।ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত এ নামটি কেবল বগুড়া জেলার অত্র স্থানেই সীমাবদ্ধ নহে বরং এছাড়া ও এ নামটির মাহাত্ন্য ও ঐতিহ্য খুঁজে পাওয়া যায় কাশ্মির, আফগানিস্তান, ভারতের বীরভূম ও বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনশাহী জেলাতে। যে কয়টি উল্লেখযোগ্য স্থানকে ঐতিহাসিক ভাষায় পরিচিহ্নিত করেন, বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম তম্মধ্যে অন্যতম। নন্দীগ্রাম একটি পুরাতন নাম । এ নামটি আজ হতে প্রায় দুইশত বছর পূর্বে ইতিহাসের পাতায় স্থান লাভ করে থাকবে। এ উপজলার ১নং বুড়ইল ইউনিয়নের পেং হাজারকি গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আলিয়ার পুকুর জামে মসসিদ,কতসালে ও কিভাবে এই মসজিদের উৎপত্তি তা সবার অজানা। তবে ৪০০ বছরের পুরোনা এই মসজিদ জঙ্গলে ঘেরানো ছিলে বলে এলাকাবাসি অভিমত পোষন করেছেন। মসজিদটিতে ঈমামসহ ১৫জনের নামাজ আদায় করা যায়। তার পাশ্বেই রয়েছে মাজার। এছাড়া ওই এলাকায় শিববাটি নামের বটগাছ ঘেরানো একটি মন্দির রয়েছে। মনে হয় বটগাছ টিই মন্দির। কিভাবে এর উৱপত্তি তাো সবার অজানা।  উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের দামগাড়ার বামনগ্রামে রয়েছে সুখ=দুখ নামের দুটি পুকুর। এলাকাবাসি বলেছে, একপুকুরে মাছ ধরলে বর্শি লুটানো হলে ওই পুকুরের মাছ অলেৌকিকভাবে অন্য পুকুরে স্থানান্তর হয়ে পরে। পুকুরটি হঠা্ৎ করে উৎপত্তি হয়। তার পাশ্বেই রয়েছে বঢ্যভূমি। ১৯৭১সালে পাকা হানাদার বাহিনীা ওই গ্রামের ৯জনকে একত্রে গুলি করে হত্যা করে ছিল।